• আপডেট টাইম : 29/12/2020 11:19 PM
  • 313 বার পঠিত
  • অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান ইসমাইল
  • sramikawaz.com

এটি একটি নীতিহীন সুুযোগ নেওয়ার পাঁয়তারা। করোনা মহামারীর কারণে মানুষ যখন বিপন্ন মানুষের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে; করোনায় বিশ^ পরিস্থিতিতে এক দেশ আরেক দেশের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে; এক কমিউনিটি আরেক কমিউনিটির পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে। আর সেখানে তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকরা করোনার সুযোগ নিয়ে নীতিহীনভাবে শ্রমিকদের ইনক্রিমেন্ট বন্ধ করতে চায়।


ইনক্রিমেন্ট হলো শ্রমিকের মজুরি-যেটা ওয়াজে বোর্ডের দ্বারা ¯^ীকৃত ও ¯^াক্ষরিত। যাতে সরকারের সম্মতি আছে; এটা আইনে পরিনত হয়ে গেছে। সেখানে কোন মালিক এটাকে অ¯^ীকার করতে পারে না। এই আইন পরিবর্তন বা স্থগিত করতে পারে আদালত এবং যদি তা স্থগিত বা বাতিল করার যৌক্তিক এবং সংগত কারণ থাকে।


এই ইনক্রিমেন্ট কোন শ্রমিক যেমন ২০ শতাংশ নিতে পারবে না, মালিকরাও মুখে বললো আর তা স্থগিত হয়ে গেলো, তাও হবে না। এই চিঠি দেওয়া মানে মালিকরা একটি নীতি প্রস্তাব করেছে। এটা নীতি বর্জিত এবং মানবতা বর্জিত এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত।


এই যে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, জীবনের ব্যয়ভার বাড়ছে। সেখানে যদি শ্রমিকদের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করে দেওয়া হয়, তাহলে শ্রমিকরা চলবে কি ভাবে ? এমনিতেই চলছে না, তারপর এই ডিসেম্বর যে বেতন বৃদ্ধির কথা আছে তা স্থগিত করলে কিভাবে চলবে?


মালিকরা সরকারকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। আমি মনে করি সরকার মালিকের দ্বারা প্রভাবিত হবে না। সরকার এ ব্যাপারে সিরিয়াস ভূমিকা নেবে, করোনা পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা যে ভূমিকা পালন করেছে সে কথা বিবেচনায় নিয়ে ইনক্রিমেন্ট স্থগিতে শ্রমিকের বিরুদ্ধে ভূমিকা নেবে না।


অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান ইসমাইল: সভাপতি বাংলাদেশ গার্মেন্টস টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...