• আপডেট টাইম : 29/12/2020 11:03 PM
  • 340 বার পঠিত
  • কাজী রুহুল আমিন
  • sramikawaz.com

বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা অতীতের মত সম্পূর্ণভাবে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। প্রতিবছর যে মূল্যস্ফীতি হয় সেই মূল্যস্ফীতি সমন্বয় করার জন্য গেজেটে ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্টের বিষয়টি যুক্ত হয়েছে। এ বছর ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হয়েছে। এর ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। শ্রমিকরা চেয়ে আছেন ডিসেম্বর মাসে ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট হলে বাড়তি খরচ সমন্বয় করবেন। কিন্তু মালিকরা ইনক্রিমেন্ট না দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। এর মাধ্যমে তারা অতীতের মতই দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। এটা অমানবিক প্রস্তাব।
মালিকরা তাদের জীবনের ব্যয়ভার বিন্দুমাত্র করায়নি। বরং বেড়েছে। তাদের সম্পদ বেড়েছে, জীবন যাপনের ব্যয় বেড়েছে। অথচ করোনার সুযোগ নিয়ে শ্রমিকদের মরার ওপর খাড়ার দিতে চায়। আমরা এই প্রস্তাবের তীব্র নিন্দাসহ প্রত্যাখান করছি। এবং বলছি ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দিতেই হবে।
মালিকদের উচিত ছিল শ্রমিকদের করোনা সুরক্ষার ভাতা ঘোষণা করার। তা না করে শ্রমিকদের উস্কিয়ে দিচ্ছে। ইনক্রিমেন্ট না দেওয়ার জন্য যে প্রস্তাব দিয়েছে তা যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে তৈরি পোশাক খাতে তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠবে-যার ফলশ্রæতিতে এই শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তখন এর দায় মালিকদের বহন করতে হবে।
কাজী রুহুল আমিন: কার্যকরি সভাপতি, গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...