• আপডেট টাইম : 17/11/2020 10:03 AM
  • 543 বার পঠিত
  • আওয়াজ প্রতিবেদক
  • sramikawaz.com

ইনক্রিমেন্ট না দেয়া বা শ্রম আইন স্থগিত করার যে চিন্তা মালিকরা করছে একটি মর্মান্তিক কথা। মনে হচ্ছে মালিকদের যা খুশি তাই করতে চাই। এটা যেন এক মগের মুল্লুক। যেন এখানে তারা যে সিদ্ধান্ত নেবে তাই-ই হবে, এখানে গণতান্ত্রিক চর্চার যেন কোন অবকাশ নেই। এটা অগ্রণযোগ্য, ঘৃন্য মনে করি।

মালিক পক্ষ শ্রমিকদের সাথে নির্মম আচরণ করে-এ কথার মধ্য দিয়ে সেটাই প্রকাশিত হয়েছে। সর্বশেষ যে মজুরি ঘোষণা হয়েছে এখন পর্যন্ত তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি, ৯৫ শতাংশই বাস্তবায়ন হয়নি। সে দায় এড়াতে মালিকরা নতুন বাহনা শুরু করেছে। এ থেকে দৃষ্টি এড়াতে মালিকরা এ ধরনের কথা বলছে। মানুষের জীবন যাপনের খরচ বেড়ে গেছে। শুধু ইনক্রিমেন্ট দেওয়া নয় নতুন মজুরি ঘোষণা করার সময় এসে গেছে।


সরকার বলে, আমরা গণমাধ্যম থেকে জানতে পারি- শ্রমিকরা নাকি ভাল আছে। করোনা থেকে উত্তরণে শ্রমিকদের সহায়তা করেছে। প্রণোদনা দিয়েছে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে শ্রমিকদের যে অধিকার, যে দাবি তার ধারে কাছে নেই।

এই যে শিল্পের বয়স ৪০ বছর হয়ে গেলো কিন্তু মালিকরা শিল্পপতির আচরণ এখনো শিখেনি। তারা লুটেরাদের আচরণ করছে শ্রমিকদের সাথে। আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বলবো তারা যেন যা বলেছে তা যেন বাস্তবায়নের চিন্তা না করে। 

সরকার বলে- সরকার নাকি শ্রমিকবান্ধব। সরকার এমন কাজ কি করেছে যাতে প্রমান হবে তারা শ্রমিক বান্ধব। সরকার শ্রমিক বান্ধব হলে মালিকরা এ ধরণের কথা বলতে পারে! সরকার শ্রমিকবান্ধব হলে সরকারের কাছে প্রণোদনা নিয়ে আবার শ্রমিকের সাথে মালিক পক্ষ এ ধরণের আচরণ করতে পারে না। সরকার যদি আন্তরিক না হয়, যদি শ্রমিককে উৎপাদক শক্তি না মনে করে, শ্রমিক উৎপাদন করবে তার বিনিময়ে পারিশ্রমিক নেবে-এটা যদি না ভাবে তাহলে তা খুবই অন্যায়। কিন্তু তৈরি পোশাক শিল্পে এটা হচ্ছে। সরকারের কাছে দাবি জানাবো, এগুলো দেখা হোক, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা হোক। সরকারের শ্রম মন্ত্রণালয় আছে, শ্রম অধিদপ্তর আছে, বিভিন্ন কমিটি আছে-এগুলোর মাধ্যমে যেন সরকার তদারকি করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...