• আপডেট টাইম : 15/11/2020 11:40 PM
  • 99 বার পঠিত
  • আওয়াজ ডেস্ক
  • sramikawaz.com

টঙ্গীতে রাষ্ট্রায়ত্ব বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরি লি. কারখানার কারিগর ও সিবিএ’র সভাপতি শাহ আলমকে চাকরি থেকে টার্মিনেশন করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন, কর্মকর্তাদের মারধর, আত্মীয়করণ, কারখানার শৃংঙ্খলাভঙ্গ ও অনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে কারখানার উৎপাদন বন্ধ করার দায়ে গত ১১ নভেম্বর (স্মারক নং-বিবিএলিঃ/প্রশাসন৬৪/২০২০/১৬৫) মূলে চাকরি থেকে তাকে অবসান (টার্মিনেশন) করা হয়।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানান, ১৯৯১ সালে ব্লেড কারখানার সিবিএ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন শাহ আলমের বড় ভাই আবু তাহের। এরই ধারাবাহিকতায় আত্মীয়-স্বজনসহ তারই আপন ছোট ভাই শাহ আলমকে শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ দেন।

নিয়োগ পাওয়ার শ্রমিক কর্মসূচির সাথে যুক্ত হন। এরপর ২০১১ সালে সিবিএ-এর সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন্ভা। তখন থেকেই তার বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয়।

এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করায় কারখানার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকসহ অনেকেই তার রোষানলে পড়েন।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনে (বিএসইসি) তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার অভিযোগ দায়ের করা হয়। শাহ আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে কোনও প্রতিকার না পেয়ে একপর্যায়ে তার অত্যাচারে অতিষ্ট শ্রমিক ও কর্মচারীগণ টঙ্গী প্রেসক্লাবে তাদের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠানটিকে সিবিএ’র সভাপতি (দক্ষ কারিগর) শাহ আলমের হাত থেকে রক্ষার জন্য লিখিত আবেদন জানান।

পরে ১৩ই সেপ্টম্বর একটি পত্রিকায় ফলাও করে তার দুর্নীতি ও অনিয়ম সংক্রান্ত প্রতিবেদন ছাপা হয়। পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার বিরুদ্ধে তদন্তে নামে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থা।

তদন্তে শাহ আলমের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কারখানা কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরিচ্যুত করে।

এ ব্যাপারে টঙ্গী ব্লেড কারখানার চাকরিচ্যুত সিবিএ সভাপতি শাহ আলম বলেন, আমি টার্মিনেশনের বিরুদ্ধে আদালতে রিট পিটিশন করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...