• আপডেট টাইম : 12/11/2020 10:10 AM
  • 716 বার পঠিত
  • বিশেষ প্রতিবেদক
  • sramikawaz.com

শ্রমিকদের বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রেক্ষিতে অক্টোবরের বেতন ২০ নভেম্বর মাসে এবং আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে বেতন দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মিরপুরের-১৩ এর ওপেক্স ফ্যাশনের মালিক। কর্মবিরতি ও বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিন ১১ নভেম্বর কারখানায় এসে এমন প্রতিশ্রুতি দেয়। এর পর শ্রমিকরা কাজ শুরু করেন।


কারখানার শ্রমিকরা জানান, তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট মজুরি বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়েী দেওয়া হবে; মাতৃকালিন ছুটি, হাজিরা বোনাজ ও অন্যান যে সব সুবিধাধি আছে সেগুলো ওপেক্স গ্রুপের অন্যান্য কারখানায় যে সব নিয়মে দেওয়া হয় সেগুলো এখানেই অনুসরন করা হবে।


এর আগে ১০ নভেম্বর ৮ দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ও কর্মবিরতি শুরু করেন ওপেক্স কারখানার শ্রমিকরা। তাদের দাবিগুলো ছিল-এ সময় আন্দোলনরত শ্রমিকরা আট দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো- সপ্তম কর্ম দিবসের মধ্যে আগের মাসের বেতন দিতে হবে। চাকরি থেকে অব্যাহতি বা অবসরে যাওয়ার প্রত্যক শ্রমিকের প্রাপ্য পাওনা দ্রুত দিতে হবে। চলতি ২০২০ সালসহ আগের সকল বাৎসরিক ছুটির টাকা প্রদান করতে হবে। হাজিরা বোনাস ৪০০ টাকা বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করতে হবে। বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট ৫ পার্সেন্টস দেওয়া হয়, বাড়িয়ে ১০ পার্সেন্টস করতে হবে। ওভারটাইমের টাকা ব্যতিত কোন শ্রমিককে অতিরিক্ত কাজ করানো যাবে না। অযথা বা অকারণে শ্রমিক ছাটাই করা যাবে না। মাতৃকালিন ছুটির টাকা প্রদান করতে হবে।


ওপেক্স কারখানা শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভের ফলে ওপেক্স থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিরপুর-১০ এ অবস্থিত মুনলাইট, রিসাল, জকি, লোডস্টার, এমবিএম, সারস, ভিশন, লোডস্টার সহ ১০টি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ বিষেয়ে লোডস্টার কারখানার শ্রমিক মুন্না প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের কোন সমস্যা নেই। সমস্যা হলো ওপেক্স-এর। ওপেক্স-এর সমস্যার কারণে শ্রমিকরা আন্দোলন করছে। ওখান থেকে আমাদের কারখানায় এসে ভাংচুর করতে পারে এ জন্য আমাদের কারখানা বন্ধ করে দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...