• আপডেট টাইম : 06/11/2020 11:49 PM
  • 180 বার পঠিত
ফাইল ছবি
  • বিশেষ প্রতিবেদক
  • sramikawaz.com

সাথী আক্তার একজন গার্মেন্টস শ্রমিক। তিনি মিরপুরের একটি কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করেন। তিনি খোলা কাগজকে জানান, তিনি সকাল সাড়ে ৭টায় বাসা থেকে বের হন। সপ্তাহের অধিকাংশ দিনই সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কারখানায় কাজ করেন। বাসায় ফেরেন সাড়ে ১০টায়। বাসায় জরুরি কাজ থাকলেও সাধারণ ডিউটি করে ফিরতে পারেন না। বাড়তি ডিউটি করতে না চাইলে চাকরিচ্যুতির ভয় দেখানো হয়। আমরা আর পারছি না। তিনি বলেন, কখনো কখনো ওভারটাইমের টাকা ছাড়াই কাজ করানো হয়। আবার কখনো কখনো শিপমেন্টের কথা অতিরিক্ত কাজ করানো হয়। শরীরে আর কুলাচ্ছে না, আবার চাকরি চলে যাওয়ার ভয়ে প্রতিবাদও করতে পারছি না।

শ্রমিককে ছাঁটাই করে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে উৎপাদন বাড়ানো আইনি ও মানবিকতাবিরোধী বলে মনে করেন গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তার। তিনি বলেন, শ্রমিকের অধিকার ক্ষুন্ন না করে শ্রমিকের জীবনমান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...