• আপডেট টাইম : 03/11/2020 12:06 AM
  • 127 বার পঠিত
  • আওয়াজ প্রতিবেদক
  • sramikawaz.com

তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই-এর সিদ্দিকুর রহমান বলেছেন, করোনার কারণে তৈরি পোশাকের কার্যাদেশ ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কার্যাদে কমে যায়। কোন কোন উদ্যোক্তা ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কার্যাদেশ হারায়। এরপরও করোনার মধ্যেকার কার্যাদেশের বেশির ভাগ তৈরি পোশাক সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি হয়ে যায়। অক্টোবর মাসে নতুন মৌসুম শুরু হয়।

এ কারণে অক্টোবর মাসে রপ্তানি কিছুটা কমে গেছে। ইউরোপে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ লেগেছে। এ জন্য নতুন করে ইউরোপ ও আমেরিকা লকডাউনে যাচ্ছে। এ অবস্থা প্রকট হলে সেথানকার দোকানগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। ইউরোপ-আমেরিকার অবস্থা খারাপ হলে বাংলাদেশের রপ্তানিতেও থাক্কা লাগতে পারে। এ ঢেউ বাংলাদেশের ক্ষতি মোকাবেলা করতে পারলে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রপ্তানি আয় ¯^াভাবিক হয়ে যাবে।

তবে ব্যক্তি উদ্যোগ জোরদার করার প্রয়োজন বলে মনে করেন তৈরি এই উদ্যোক্তা নেতা। তিনি বলেন, এখন বায়াররা যে কার্যাদেশ দিচ্ছে তাদের কাছে থেকে আরও খানিক বেশি কার্যাদেশ নেওয়ার জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি দামও বাড়িয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে উদ্যেক্তা পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি। সরকার নীতি ও লজিস্টিকের যে সহায়তা দিচ্ছে রপ্তানি বৃদ্ধিতে উদ্যোক্তা পর্যায়ে দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে। প্রয়োজনে সরকারের কাছে থেকে আরও সহায়তা পাবেন বলে মনে করেন এই এই উদ্যোক্তা নেতা।

দেশের রপ্তানি আয়ের ৮৫ ভাগ আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। তৈরি পোশাক রপ্তানি কমে গেলে মোট রপ্তানিতে প্রভাব পড়ে। প্রভাব পড়ে কর্মসংস্থান এবং তৈরি পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড ও ফরোয়ার্ড খাতগুলো। এ কারণে কোনভাবেই হোক তৈরি পোশাক রপ্তানিকে অগ্রগামি ধারাতে দেখতে চায় নীতি নির্ধারকরা। করোনাকালে অনেক আগ বাড়িয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রনোদনা ঘোষনা করে সরকার। তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জন্য সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষনা করে। তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানির বাধামুক্ত রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেবে বলে মনে করেন সিদ্দিকুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...