sa.gif

কর্মস্থলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আরও কাজ করতে হবে
মাহাবুবা আক্তার


ব্লাস্টসহ আমরা বিভিন্ন সংগঠন কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানী প্রতিরোধ কমিটি গঠনে কাজ করেছি। এরই ফল যৌন হয়রানি রোধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা। ২০০৯ সালে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। যৌন হয়রানি নিরশনে সেখানে স্পস্টভাবে বলা আছে, যৌন হয়রানির সংখ্যা দেওয়া আছে, যৌন হয়রানি নীতিমালা কীভাবে করবে, কিভাবে অভিযোগ করবে, কীভাবে অভিযোগ নিতে হবে এবং অভিযোগ কী ভাবে তদন্ত করতে হবে - সেখানে সব বিস্তারিত বলা আছে।

আমরা হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছিলাম। আমরা শ্রম মন্ত্রনলয়ে এ বিষয় একটি প্রশাসনিক আদেশ দেওয়ার জন্য আমরা ব্লাস্ট থেকে আবেদন করেছিলাম। আর মন্ত্রনলয়ও জানিয়েছে তারা এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিচ্ছে। কলকারখানা অধিদপ্তর মন্ত্রনলয়ের অধিনে ইতিমধ্যে কমিটি করেছে এবং প্রতিটি জেলায় কারখানা পরিদর্শক হিসাবে যারা আছে, তাদের জন্য বিভিন্ন অরিন্টেশন এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমারাও সেটা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষন দিয়ে যাচ্ছি।

এছাড়া আমরাও তাদেরকে বলেছি মনিটরিং এর সময় চেকলিস্টের ভেতর যেন এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেন বিভিন্ন কল-কারখানায় কমিটি সঠিক ভাবে গঠন করা হয়। এ জন্য আমরাও কাজ করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যো আমরাও বেশ কয়েকটি সংস্থা মিলে সজাগ কোয়ালিশন এর মধ্যমে কাজ করছি। আমারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এভাবে কমিটি গঠনের সহায়তা করছি। সরকারও কাজ করছে। কলকারখানা অধিদপ্তর যেহেতু তাদের বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় বিষয়টি নিয়ে এসেছে, আশা করি তারা আরও এগিয়ে যাবে। এবং আশা করা যায় সকল কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে কমিটি হবে এবং আদা লতের নির্দেশনা ব্যাস্তবায়ন হবে। এটা আইনে পরিনত করার জন্য নাগরিক সমাজ এবং মানবধিকার কমিশন থেকে একটা আইন খসড়া করেছি অদূর ভবিষ্যতে এটা আইনে পরিনত হবে বলে আশা করি।

এ সব বিষয় যদি বিবেচনায় আনি তাহলে বলা যায়, যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে কমিটি গঠনের যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়ে গেছে। কলকারখানা অধিদপ্তর নিজেরা কমিটি করছে। তাদের জেলা পর্যায়ে যে পরির্দশকরা আছে তারা জেলা অফিসগুলোতে কমিটি করার উদ্যেগ নিয়েছে। কিন্ত আমরা যে বিষয়টা বলে আসছি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে গার্মেন্টস শিল্প থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কমিটিটা যথাযথ ভাবে যেন গঠন করা হয়, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী যেন তা করা হয়। এ ব্যাপারে আমরা বার বার সুপারিশ প্রদান করছি এবং তারাও অগ্রসর হচ্ছে। তারা কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে যা যা করণীয় তা করবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে। তারা বলছে, এ ব্যাপারে ভবিষ্যতে তারা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পদক্ষেপ নেবে।

শ্রম মন্ত্রনলয় আমাদের বলেছে, প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রশাসনিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে তাদের অধিনে থাকা বিভিন্ন অধিদপ্তর ও বিভিন্ন বিভাগে যারা আছে তারা কাজ করবে। সেখানে তারা কমিটি গঠনের জন্য বলেছে। আমরা আশা করি তারা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে শ্রমঘন প্রতিষ্ঠান তৈরি পোশাক শিল্পে কমিটি গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সেটা যেন সঠিকভাবে মনিটরিং করা হয়। যখন তারা কলকারকানা ও প্রতিষ্ঠান পরির্দশনে যাবেন তখন তারা যেন দেখে কতগুলো অভিযোগ আসছে, শ্রমিকরা কতটা এর সুফলটা পাচ্ছে। তাহলে উচ্চ আদালত যে নির্দেশনা দিয়েছে নারী শ্রমিকের কল্যানে তা ব্যবহুত হবে।
মাহাবুবা আক্তার: পরিচালক, ব্লাস্ট।

অনুলিখন : মো. কামরুজ্জামান






Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution