sa.gif

শ্রমিকের জীবন নির্বাহের ব্যয় মেটাতে বাসস্থান ও রেশন সময়ের দাবি
জালাল হাওলাদার



 ২০১৩ সালে  গেজেট যখন গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য ৫৩০০ টাকা ন্যুনতম মজুরি ঘোষণা করা হয় তখন চালের  কেজি ছিল ২৫ থেকে  ৩০ টাকা। এখন প্রতি কেজি  চালের দাম হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বেড়েছে বাড়ি ভাড়া, গাড়ীসহ সব ধরনের খরচ। কিন্তু শ্রমিকদের বেতন বাড়েনি।
এ থেকেই বোঝা যায় বর্তমানে গার্মেন্ট শ্রমিকরা কিভাবে জীবন যাপন করছে।  এ রকম পরিস্থিতির পরও অনেক  করখানায় নানা অজুহাতে শ্রমিকদের বেতন কর্তন করা হচ্ছে। ফলে শ্রমিকরা আজ অর্ধাহারে অনাহারে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। আর অসুস্থ্য হওয়ার পর আইন অনুসারে যে চিকিৎসা সুবিধা পাওয়ার কথা তারও কোন ব্যবস্থান নেই। এমনি ভাবে শোষণ-নির্যাতনের শিকারের ফলে আমাদের গার্মেন্ট শ্রমিকরা ৪০ থেকে ৪৫ বছর বয়সের পর আর কারখানায় কাজ করতে পারেনা। এত কম বয়সে কর্মক্ষমতা হারিয়েও বাঁচার ব্যবস্থা নেই।  কারণ এ শিল্পে পেনশন, প্রভিডেনন্ট ফান্ডের কোনো ব্যবস্থা নেই।

এ অবস্থায় মালিকদের বুঝতে অনুরোধ জানাবো যে রাজহংসী স্বর্ণ ডিম্ব প্রসব করে তাকে শোষণ করে মেরে ফেললে আপনারাই ক্ষতি হবে বেশি। আপনারা শ্রমিকদের ভালভাবে চল‍ার মত বেতন দেন শ্রমিকরাও আপনাকে বেশি উৎপাদন দিবে এবং কারখানাও শান্ত থাকবে।
মালিক সমিতি মজুরি বাড়ানোর যৌক্তিকতার কথা শিকার  করলেও শেষ পর্যন্ত তা বাড়ায়না না। তারা বলে জিনিসপএের দাম বাড়লে তার দায়িত্ব সরকারের। এটা যদি সত্য হয় তাহলে চালের দাম যখন দ্বিগুন হয়ে গেল তখন সরকার পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের চাল-ডালের অন্তত অর্ধেক পরিমান রেশনের মাধ্যমে বন্টন করুক। যার শ্রম ঘামে এ দেশ চলে তাদের কেন বাজেট বরাদ্দ  থাকবেনা ? এদেশকে বাঁচিয়ে রেখেছে শ্রমিকেরা।






Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution