sa.gif

কর্মস্থলে যৌন হয়রানি রোধে মালিক, শ্রমিক ও ম্যানেজার-সুপারভাইজারদের সচেতন হবে
সামছুন্নাহার ভূঁইয়া এমপি
মো. কামরুজ্জামান :: 09:32 :: Thursday October 17, 2019 Views : 345 Times

হাইকোর্ট যে রায়টা দিয়েছিল তা হলো প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির প্রতিরোধে কমিটি করা। আমার জানামতে সকল প্রতিষ্ঠানে কমিটি হয়নি। আমরা যখন বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে আলোচনা, সভা ও সমাবেশ করি তখন যৌন হয়রানির বিষয়টি আমরা আলোচনা করি। তবে আমরা যে অনেক বেশি শ্রমিকের কাছে যেতে পারি-এমন না। যে টুকুই সম্ভব, আমরা যখন সংগঠনের আলোচনা করি তখন মেয়েদেরকে বলি তারা যেন সে বিষয়গুলো আমাদের জানায়। অথবা প্রশাসনের লোকজনকে জানায়।

আসলে হয়েছে কি, এখনও আমাদের দেশের মেয়েরা অতটা সচেতন না। এখনও মনে করে এটা যদি জানাই সমাজের মানুষ কি মনে করবে! অনেক সময় জানাতেই চায় না। আমারা নিজেরা দেখি অনেক সময় একটা সুপারভাইজার খারাপ আচরন করলো যেটা যৌন হয়রানির মধ্যো পড়লো। এরকম একটা ব্যাপার হলে আমরা নারী শ্রমিকদের বলি কেন এর প্রতিরোধ করবেন না, চাকরির যায়গা আপনি চাকরি করতে এসেছেন। যদি কখনও কেউ আপনার সঙ্গে কোন অন্যায় ব্যবহার করে আমাদের যা যা আইন কানুন আছে তা প্রয়োগ করতে হবে। এ সব আইন কারখানাতে কর্তৃপক্ষ মেনে চললে সমস্যা হওয়ার কথা না।

সুপারভাইজার, ম্যানেজার এমন ভাবে কথা বলতে পারবেন না যাতে আপনি আহত হন। এমন ভাবে স্পর্শ করতে পারবেন না, যেটা যৌন হয়রানির মধ্যে পড়ে। এ ব্যাপারে আমাদের ট্রড ইউনিয়নের ও কিছু দুর্বলতা আছে। ট্রেড ইউনিয়ন চর্চার মধ্যেও এ ব্যাপারে সতর্ক করতে পারি। শ্রমিকরা অনেক ঘটনা জানান না। এগুলো জানাতে হবে।

আমাদের শ্রমজীবি মানুষের জন্য শ্রম আইন আছে। এটা যদি সঠিকভাবে জানার চেষ্টা করি তাহলে যৌন হয়রানির বিষয়গুলো সম্পর্কে নিজেই প্রতিবাদ করতে পারবে। এর জন্য চেষ্টা করতে হবে। চাকরির যায়গা কেউ চাকরি করতে এসেছে যদি কখনও কেউ কোন অন্যায় করে তাহলে এ ব্যাপারে যে আইনের দ্বারস্ত হতে হবে। শ্রমিকরা আইন মেনে না চললে কতৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে। আবার কর্তৃপক্ষ আইন না মানলে তাদেরও আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা আছে, তা করতে হবে। এমন ভাবে কথা বলতে পারবেন না যেটা আপনি আহত হন। এমন ভাবে টাচ করতে পারবেন না যেটা যৌন হয়রানির পর্যায়ে পড়বে। এ ব্যাপারে আমাদের ট্রড ইউনিয়নের ও কিছু দূর্বলতা আছে। আমরাও তাদের দিয়ে কোন সর্তক করতে পারি না।

আমাদের শ্রমজীবি মানুষের জন্য শ্রম আইন আছে। এটা যদি সর্বক্ষেত্রে সঠিক ভাবে ব্যাস্তবায়ন হতো তাহলে মালিকের জন্যও ভালো হতো; আমাদের শ্রমিকদের জন্য ভালো হতো; সবার জন্যই মঙ্গল হতো। এটা বাস্তবায়নের জন্য শ্রমিকদেরও যে ভূমিকাটা রাখা দরকার সরকারেরও ভূমিকা রাখা প্রয়োজন-এটা কিন্তু সঠিকভাবে পর্যবেক্ষন হয় না। যে জন্য সকল ক্ষেত্রে আইনের বাস্তবায়ন হচ্ছে না। আমি যেহেতু শ্রম মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে আছি, আমরা যারা জনপ্রতিনিধি আছি বিষয়টি নিয়ে আমাদেরও আরও বেশি সোচ্চার হওয়ার দরকার। আর হাইকোর্টের রায় তো ভালো। কিন্তু সব জায়গায় এর ব্যাস্তবায়নটা হয়নি, কিছু কিছু যায়গা হয়েছে। এ ব্যাপারে শ্রমিকদেরও সোচ্চার হতে হবে। আর মালিক পক্ষকেও এগিয়ে আসতে হবে তাহলেই ব্যস্তবায়ন হবে। এটা বাস্তবায়ন হলে নারীরাও হয়রানি হবে না; আবার দেশেরও খুব মঙ্গলজনক হবে।



Comments





Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution