sa.gif

ঈদের আগে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করতে হবে : স্কপ
আওয়াজ প্রতিবেদক :: 00:39 :: Wednesday May 13, 2020 Views : 120 Times

ঈদের আগে বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হবে জানিয়ে স্কপের নেতৃবৃন্দ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের রেশন, শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসা এবং মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার ১২ মে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপের) মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান। জাতীয় প্রেসক্লাবের সমানে সকাল ১১টায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সংক্ষিপ্ত পরিসরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

স্কপের যুগ্ম সমন্বয়কারি ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট এর সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামরুল আহসান, ট্রেড ইউনিয়ন সঙ্ঘের সাবেক সভাপতি খলিলুর রহমান, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক আমিন, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের দপ্তর সম্পাদক সাহিদা পারভিন শিখা, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের অর্থ সম্পাদক কাজী রুহুল আমিন প্রমূখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুতে মানুষ দুর্বিসহ পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। করোনার বিস্তার রোধে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এই অবস্থায় শ্রমজীবী মানুষ পড়েছে সবচেয়ে বেশি দুর্দশায়। সাধারণ ছুটিতে কারখানা বন্ধ থাকলেও গার্মেন্টসের শ্রমিকদের মজুরি দেয়ার জন্য সরকার মালিকদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যকেজ দিয়েছে। তা সত্ত্বেও শ্রমিকদের কত শতাংশ মজুরি দেয়া হবে তা নিয়ে বিতর্ক ও কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। যা শ্রমিকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও অসন্তোষ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গার্মেন্টসের বাইরেও আছে রি-রোলিং ও স্টিল মিল শ্রমিক, পরিবহণ শ্রমিক, নৌযানশ্রমিক, চা-শ্রমিক, গৃহকর্মী, সেলুন কর্মী, হোটেল-রেঁস্তোরার কর্মী, হস্তশিল্পী, ছাপা-মুদ্রণ ও বাঁধাই শ্রমিক, স্বর্ণকার, দর্জিশ্রমিক, হকার, দোকানকর্মচারীসহ অনেক খাতের শ্রমিক যার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ কোটি।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কয়েকদিন পরেই ঈদ, তাই ঈদের আগে সকল শ্রমিকের বকেয়া বেতন- ভাতা, চলতি মে মাসের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে। সাধারণ ছুটির সুযোগ নিয়ে শ্রমিকদের বেতন বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে অনেক মালিক অযৌক্তিকভাবে কারখানা লে-অফ ও শ্রমিক ছাঁটাই করেছে, যা শ্রম আইনের অপপ্রয়োগ।

যে সব মালিক শ্রমিক ছাঁটাই করেছে ও কারখানা লে-অফকারী করেছে সে সব মালিকদের শাস্তি দিতে হবে। অবিলম্বে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ করতে হবে এবং ইতিমধ্যে যাদের ছাঁটাই করা হয়েছে তাদের কাজে পুনর্বহাল করতে হবে। করোনা দুর্যোগে কর্মহীন ও বেকার হয়ে পড়া শ্রমিকদের এককালনি সহায়তা এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাধারণ ছুটিকে উপেক্ষা করে মালিকরা শ্রমিকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত না করে, সীমিত আকারে কারখানা চালুর কথা বলে ব্যাপকভাবে কারখানা খুলে দিয়েছে। এতে শ্রমিকের করোনায় আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুবরণ করার ঝুঁকি বেড়েছে, যা ওই সকল শ্রমিকের
পরিবার ও সাধারণ নাগরিকদের ঝুঁকি বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতে যদি শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয় তাদের সুচিকিৎসার দায়িত্ব মালিকপক্ষকে নিতে হবে এবং মৃত্যুবরণ করলে ক্ষতিপূরণ মালিককে বহন করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন উপরোক্ত দাবি অবিলম্বে বাস্তবায়িত না করলে শ্রমিকদের বিক্ষোভ চরম রূপ নেয়ার আশঙ্কা আছে যার দায়িত্ব সরকার ও মালিককে নিতে হবে।



Comments





Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution