sa.gif

বাজেটে ৫% নগদ সহায়তা চায় বিজিএমইএ
আ্ওয়াজ ডেস্ক :: 20:23 :: Monday May 27, 2019 Views : 181 Times

 ঢাকার আমারি হোটেলে সোমবার ২৭ মে বিজেএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএর প্রাক বাজেট আলোচনায় বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক। 

দেশের পোশাক খাতের ‘নানামুখী চ্যালেঞ্জের’ কথা তুলে ধরে ‘টিকে থাকার স্বার্থে’ আগামী বাজেটে সব রপ্তানি বাজারের জন্য ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা চেয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক।

পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে ভ্যাট-ট্যাক্স কমিয়ে ৪০ লাখ শ্রমিকের এই খাতকে বিশ্ববাজারে আরও প্রতিযোগিতা সক্ষম করে তোলার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নতুন অর্থবছরের বাজেট সামনে রেখে সোমবার ঢাকার হোটেল আমারিতে বস্ত্র খাতের মালিকদের তিন সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ-এর পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন দাবি দাওয়া তুলে ধরা হয়।

বিকেএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম মনসুর আহমেদ, বিটিএমএর সভাপতি মাহমুদ আলী খোকন, এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ইএবি) প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

রুবানা হক বলেন, বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাকের দাম দিন দিন কমছে। এ কারণে গত এক মাসে ২২টি কারখানা এবং গত ছয় বছরে ১২শ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

“অন্যদিকে দেশে উৎপাদন খরচ দিন দিন বাড়ছে। এ অবস্থায় সরকারের কাছ থেকে বাজেটে বিশেষ সহায়তা না পাওয়া গেলে হাজার হাজার উদ্যোক্তা ও লাখ লাখ শ্রমিকের জীবন হুমকির মুখে পড়বে।

বর্তমানে নতুন বাজারের জন্য ৪ শতাংশ হারে নগদ সহায়তার নিয়ম চালু থাকায় পোশাক রপ্তানিতে নতুন বাজারগুলোতে ব্যাপক ‘প্রবৃদ্ধি এসেছে’ বলে সংবাদ সম্মেলনে তথ্য দেন বিজিএমইএ সভাপতি।

তিনি বলেন, “মোট বাজারের ২০ শতাংশ নতুন বাজারের আওতায়। সব বাজারে ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দিলে সরকারের খরচ হবে সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। কিন্তু এতে লাভবান হবে পুরো খাত।”

পোশাক শ্রমিকদের আবাসন, পরিবহন ও চিকিৎসার জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখারও দাবি জানান রুবানা হক।

বিজিএমইএ-এর অন্য দাবিগুলো হল-

>> রপ্তানি সহায়ক মুদ্রাবিনিময় হার নির্ধারণ করা। অর্থাৎ রপ্তানি খাতগুলোর জন্য ডলারপ্রতি অতিরিক্ত ৫ টাকা বিনিময় হার নির্ধারণ করা।

>> যেসব কারখানা ইচ্ছাকৃতভাবে খেলাপি হয়নি, তাদের উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার স্বার্থে ঋণ পুনঃতফসিলের মেয়াদ দ্বিগুণ করা।

>> স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করা সব পণ্য ও সেবাকে ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা।

>> আগেই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এমন সেবায় বকেয়া ভ্যাট দাবি না করা।

>> রপ্তানির বিপরীতে উৎসে কর শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা এবং উৎসে করকে চূড়ান্ত কর দায় হিসাবে গণ্য করা।

>> করপোরেট কর হার ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা।

>> রপ্তানি বিলের ওপর শূন্য দশমিক ২ শতাংশ হারে স্ট্যাম্প শুল্ক কাটার নিয়ম থেকে পোশাক খাতকে অব্যাহতি দেওয়া।

>> যেসব কারখানা ব্যবসায় টিকে থাকতে পারছে না, তাদের বেরিয়ে আসার জন্য তিনশ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া।

এদিকে বিজিএমই সভাপতি যেখানে ৫ বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ সহায়তার কথা বলেছেন, একই সময়ের জন্য উৎসে করকে চূড়ান্ত কর দায় হিসাবে গণ্য করার দাবি সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন বিকেএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি এম মনসুর আহমেদ।

তিনি বলেন, “আমরা অনেক ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ প্রণোদনার পরিবর্তে বাস্তাবে পাই ৩ দশমিক ২ শতাংশ। ৫ শতাংশ হারে সব দেশের ক্ষেত্রে প্রত্যাবসিত মূল্যের ক্ষেত্রে প্রণোদনা চেয়েছি। আমেরিকার বাজারের ক্ষেত্রে আমরা ১৬ শতাংশ নগদ প্রণোদনা চাই। কারণ দেশটিতে জিএসপি নেই। আমাদেরকে অনেক বেশি কর দিতে হয়।”

ইএবির প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ভ্যাট-ট্যাক্স নিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়।

“সরকার এক দিকে ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেসের’ উন্নতির কথা বলছে, অন্যদিকে পুলিশ যেখানে সেখানে আমাদের ট্রাক আটক করছে। এটা চলতে পারে না। এর একটা সুরাহা হওয়া প্রয়োজন।”

ভুয়া ডিকলারেশনের মাধ্যমে আমদানি করা সুতা দেশীয় লুমগুলোকে অচল করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন।

তিনি বলেন, দেশে এখনো স্পিনিং ক্যাপাসিটির ৩৫ শতাংশ ব্যবহারের বাইরে অলস বসে আছে। অন্যদিকে উইভিং মিলগুলোকে উৎপাদন ৪০ শতাংশ কমাতে হয়েছে।
সুত্র .বিডিনিউজ



Comments





Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution