একচল্লিশটি প্রতিষ্ঠানকে ‘বিশেষ প্রক্রিয়ায়’ দুই লাখ ৭৭ হাজার বেল কাঁচা পাট রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার।


বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হালদার বুধবার এ কথা জানিয়েছেন।

গত বছরের ৩ নভেম্বরের আগে ইস্যুকরা ২৫১টি এলসির (লেটার অব ক্রেডিট) বিপরীতে প্রতিষ্ঠানগুলো কাঁচা পাট রপ্তানি করতে পারবে বলে তিনি জানান।

পণ্যে পাটের মোড়কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে গত ৩ ডিসেম্বর সব ধরনের কাঁচা পাট রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার।

এ ঘোষণার ১২ দিনের মাথায় ১৫ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ‘স্বয়ংক্রিয় স্ক্যানিং’, ‘মেশিন কাট জুট’ (১০ থেকে ১২০ মিলিমিটার), ‘জুট সিলভার’ ও ‘জুট টো’ এই চার প্রক্রিয়ায় কাঁচা পাট রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত করে আদেশ জারি করে পাট মন্ত্রণালয়।

রপ্তানি অনুমোদন দিয়ে জারি করা ওই আদেশে বলা হয়েছে, “রপ্তানিকারকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাট অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ৪১টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২০১৫ সালের ৩ নভেম্বরের আগে ইস্যু করা ২৫১টি এলসির বিপরীতে দুই লাখ ৭৭ হাজার বেল কাঁচা পাট রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হল।”

পাট মন্ত্রণালয়ের হিসেবে, দেশে বছরে প্রায় ১০ কোটি মোড়কের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পাটকলগুলো থেকে আসে চার কোটি মোড়ক; বাকিটা যোগায় বেসরকারি পাটকল।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসেবে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে ৭৫ লাখ বেল (এক বেলের ওজন ১৮২ কেজি) পাট উৎপাদিত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের থেকে ৬৫ হাজার বেল থেকে বেশি।

তবে পাটের ফলন কম হওয়ায় চলতি অর্থ বছরে ৬৫ লাখ বেলের কাছাকাছি পাট উৎপাদিত হতে পারে বলে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের ধারণা।

বাংলাদেশ থেকে কাঁচা পাটের পাশাপাশি পাট সুতা, বস্তা, চট ও পাটের তৈরি বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয়। কাঁচা পাট বেশির ভাগটাই যায় ভারত ও পাকিস্তানে।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে সোয়া নয় লাখ বেল কাঁচা পাট রপ্তানি হয়।

" />
sa.gif

কাঁচাপাট রপ্তানির অনুমতি পেল ৪১ প্রতিষ্ঠান
আওয়াজ প্রতিবেদক :: 11:54 :: Thursday January 7, 2016


একচল্লিশটি প্রতিষ্ঠানকে ‘বিশেষ প্রক্রিয়ায়’ দুই লাখ ৭৭ হাজার বেল কাঁচা পাট রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার।


বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হালদার বুধবার এ কথা জানিয়েছেন।

গত বছরের ৩ নভেম্বরের আগে ইস্যুকরা ২৫১টি এলসির (লেটার অব ক্রেডিট) বিপরীতে প্রতিষ্ঠানগুলো কাঁচা পাট রপ্তানি করতে পারবে বলে তিনি জানান।

পণ্যে পাটের মোড়কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে গত ৩ ডিসেম্বর সব ধরনের কাঁচা পাট রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার।

এ ঘোষণার ১২ দিনের মাথায় ১৫ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ‘স্বয়ংক্রিয় স্ক্যানিং’, ‘মেশিন কাট জুট’ (১০ থেকে ১২০ মিলিমিটার), ‘জুট সিলভার’ ও ‘জুট টো’ এই চার প্রক্রিয়ায় কাঁচা পাট রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত করে আদেশ জারি করে পাট মন্ত্রণালয়।

রপ্তানি অনুমোদন দিয়ে জারি করা ওই আদেশে বলা হয়েছে, “রপ্তানিকারকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাট অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ৪১টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২০১৫ সালের ৩ নভেম্বরের আগে ইস্যু করা ২৫১টি এলসির বিপরীতে দুই লাখ ৭৭ হাজার বেল কাঁচা পাট রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হল।”

পাট মন্ত্রণালয়ের হিসেবে, দেশে বছরে প্রায় ১০ কোটি মোড়কের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পাটকলগুলো থেকে আসে চার কোটি মোড়ক; বাকিটা যোগায় বেসরকারি পাটকল।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসেবে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে ৭৫ লাখ বেল (এক বেলের ওজন ১৮২ কেজি) পাট উৎপাদিত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের থেকে ৬৫ হাজার বেল থেকে বেশি।

তবে পাটের ফলন কম হওয়ায় চলতি অর্থ বছরে ৬৫ লাখ বেলের কাছাকাছি পাট উৎপাদিত হতে পারে বলে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের ধারণা।

বাংলাদেশ থেকে কাঁচা পাটের পাশাপাশি পাট সুতা, বস্তা, চট ও পাটের তৈরি বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয়। কাঁচা পাট বেশির ভাগটাই যায় ভারত ও পাকিস্তানে।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে সোয়া নয় লাখ বেল কাঁচা পাট রপ্তানি হয়।



Comments





Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution